শ্রীকৃষ্ণ: পরম সখা, পরম নির্ভয়
ননীচোরা গোপাল থেকে কালীয়দমনকারী বীর, আর কুরুক্ষেত্রের অনমনীয় পার্থসারথি—একই অবয়বে শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত লীলা ও পরম আশ্রয়ের রূপচিত্র। কুরুক্ষেত্রের মহাবিনাশী রক্তপাতের দায় কি শুধুই কৃষ্ণের? রণকুশলী কূটনীতিবিদ নাকি বিপদের পরম আশ্রয়—মহাভারতের ক্যানভাসে কে এই শ্রীকৃষ্ণ? কুরুক্ষেত্রের মহাবিনাশী রক্তপাত আর রাজনীতি দেখে যুগে যুগে অনেকেই কৃষ্ণকে ওই যুদ্ধের মূল অনুঘটক হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তবে শুধু রণকুশলী রাজনীতিক হিসেবে দেখলে কৃষ্ণের চরিত্রকে পূর্ণাঙ্গভাবে বোঝা যায় না। মহাভারতের বিশাল ক্যানভাসে তিনি শুধু এক কঠোর রণকুশলী নন, তিনি সম্পর্কের এক অবিচল আশ্রয়। অর্জুনের সখা হয়ে রথের রাশ হাতে নেওয়া, নিঃসঙ্গ দ্রৌপদীর অপমানে পরম ভরসা হয়ে দাঁড়ানো এবং জীবনের সবচেয়ে জটিল মোড়ে দাঁড়িয়ে মানুষকে নির্ভয় দেওয়ার নামই শ্রীকৃষ্ণ। প্রচলিত ধারণা মতে শ্রীকৃষ্ণকে এভাবে চেনা যায়—প্রধানত তার গায়ের রং ঘন নীল। তার রেশমি ধুতিটি সাধারণত হলুদ রঙের এবং মাথার মুকুটে একটি ময়ূরপুচ্ছ শোভা পায়। কৃষ্ণের প্রচলিত বিগ্রহগুলোতে সাধারণত তাকে বংশীবাদনরত এক বালক বা যুবকের বেশে দেখা যায়। তার একটি পা অপর পায়ের ওপর ঈষৎ বঙ্কিম অ...