পোস্টগুলি

Featured Post

চীন অভিমুখী যাত্রা, কতটা মসৃণ, কতটা বন্ধুর?

ছবি
  বেইজিংয়ে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে করমর্দনরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও নতুন সরকারপ্রধানের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফর হিসেবে চীনকে বেছে নেওয়া কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা? ভারত ও চীনের সংবাদমাধ্যমের ভিন্ন বয়ানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভূরাজনৈতিক সমীকরণ কী বলছে? ক্ষমতার সঙ্গে প্রায়ই আরেকটি প্রবণতা যুক্ত হয়—আত্মতুষ্টি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এটি নতুন কোনো অভিজ্ঞতা নয়। যে সরকারই শক্তিশালী সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে, তার প্রায় প্রতিটি উদ্যোগকে সাফল্যের অনিবার্য নিদর্শন হিসেবে উপস্থাপনের প্রবণতা দেখা যায়। ফলে সমালোচনামূলক মূল্যায়নের পরিসর সংকুচিত হয়, নীতিগত প্রশ্নের পরিবর্তে প্রশংসার বয়ান প্রাধান্য পায় এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি নিয়ে প্রয়োজনীয় জনআলোচনা অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়। এমন একটি প্রেক্ষাপটে সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীনে গমন স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এই সফর শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির অগ্...

অস্থায়ী অভিবাসীদের দেশে ফেরত পাঠাবে ট্রাম্প প্রশাসন

ছবি
সংগৃহীত ছবি  যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা বা টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস) নিয়ে বসবাসরত অভিবাসীদের স্থায়ী বৈধ আবাসিক মর্যাদা অর্জন করতে হবে, অন্যথায় নিজ নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের প্রধান মার্কওয়েইন মুলিন। আজ রোববার সিএনএনের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে হাইতি ও সিরিয়ার নাগরিকের টিপিএস সুবিধা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে। এই মর্যাদা তাদের যুদ্ধ, সংঘাত ও চরম দুর্দশাগ্রস্ত দেশে ফেরত পাঠানো থেকে সুরক্ষা দিয়ে আসছিল। মুলিন বলেন, ‘হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন করে স্থায়ী বৈধ মর্যাদা অর্জনের চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব। আমরা আপনাকে বিমানের টিকিট দেব, পাশাপাশি নিজ দেশে পুনর্বাসনের জন্য দুই হাজার ১০০ ডলারও সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।’ মার্কিন ফেডারেল আইন অনুযায়ী, যুদ্ধ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য সংকটময় পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে আসা বিদেশি নাগরিকদের অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া যায...

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলেন সুপ্রিম কোর্ট, বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

ছবি
  যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ খারিজ করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার ৬-৩ ভোটের ব্যবধানে দেওয়া এই রায়ে নিম্ন আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশই বহাল রাখা হয়েছে। অভিবাসন নীতি কঠোর করার এই উদ্যোগ বাতিল হওয়াকে ট্রাম্পের জন্য বড় ধরনের আইনি ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে গত বছর দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই এই বিতর্কিত নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন ট্রাম্প। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী কোনো শিশুর মা-বাবার অন্তত একজন যদি মার্কিন নাগরিক বা স্থায়ী বৈধ বাসিন্দা না হন, তবে ওই শিশু জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের স্বীকৃতি পাবে না। মার্কিন সরকারি সংস্থাগুলোকে এই নির্দেশ মেনে চলার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস এই রায়ের খসড়া প্রস্তুত করেন। রায়ে তিনি মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনীর কথা উল্লেখ করেন, যা মূলত গৃহযুদ্ধ শেষে দাসপ্রথা বিলুপ্তির পর মুক্ত হওয়া দাসদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে প্রণীত হয়েছিল। ...

রাজনৈতিক পালাবদল: দুই বছরে তিন আমল

ছবি
 গত দুই বছরেরও কম সময়ে দেশ প্রত্যক্ষ করেছে তিনটি ভিন্ন শাসনপর্ব-আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ অধ্যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারকাল এবং নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বিএনপি সরকারের নতুন যাত্রা। ইতিহাসের বিচারে এমন দ্রুত রাজনৈতিক রূপান্তর বাংলাদেশের জন্য বিরল অভিজ্ঞতা। এই রাজনৈতিক পালাবদলের সূত্রপাত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে।  সেই আন্দোলনেরও ছিল এক প্রেক্ষাপট। সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পূনর্বহালের এক রায়কে ঘিরে জুলাইয়ের এক তারিখে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন সাড়ে ১৫ বছরের জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা এক সরকারের পতন ঘটিয়ে দেয়।  তবে এই পরিবর্তন খুব সহজ ছিল না। ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর ফলে সাধারণ জনগণ এই আন্দোলনে এসে শরিক হয়। অনেক রক্তক্ষয় আর হতাহতের মধ্যে দিয়ে তীব্র আন্দোলনের মুখে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় স্বৈরাচারী সরকার ও তার দোসররা। ২০০৯ সালে সরকারের দায়িত্বভার গ্রহণ করা আওয়ামী লীগ সরকার একটানা চার বার ক্ষমতা আসলেও শেষটা তার ভালো হলো না। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতা বসার ...

শিবচরে কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সদস্য সানজিদা আক্তার গ্রেফতার

ছবি
  শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, মহিলা লীগের নেত্রী সানজিদা আক্তারকে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সদস্য সানজিদা আক্তারকে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) সানজিদা আক্তারকে মাদারীপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর আগে শনিবার (২৭ জুন) রাত আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, সানজিদা আক্তার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি ঢাকা ইডেন কলেজে পড়াশোনা করতেন। সেখান থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে সদস্য পদ লাভ করেন। পরে তিনি যুব মহিলা লীগের সদস্য ও বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, মহিলা লীগের নেত্রী সানজিদা আক্তারকে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আশুরার তাজিয়া মিছিলে ১৫ হাজার মানুষকে হত্যাচেষ্টা

ছবি
অভিযুক্ত ফাইয়াজ প্রেমজি। ছবি: এনডিটিভি  ভারতের বাণিজ্যিক নগরী মুম্বাইয়ে পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিলে অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষকে বিষাক্ত ক্যাপসুল খাইয়ে একযোগে হত্যা করার এক ভয়াবহ পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে দেশটির পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) তাজিয়া মিছিলের ভেতরে সাধারণ মানুষের মাঝে বিষাক্ত ক্যাপসুল বিলি করার সময় ফাইয়াজ প্রেমজি নামের এক যুবককে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ওই যুবক স্বীকার করে যে মিছিলে উপস্থিত অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে বিষপ্রয়োগে মেরে ফেলার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল তার। মুম্বাই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে গত শুক্রবার তাজিয়া মিছিল চলাকালীন ফাইয়াজের দেওয়া ওই ক্যাপসুল সেবন করে মুহূর্তের মধ্যেই অন্তত ডজনখানেক মানুষ মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন।  পরবর্তীতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় দেখা যায় যে ওই ক্যাপসুলগুলোর ভেতরে জিঙ্ক ফসফাইড নামক অত্যন্ত প্রাণঘাতী রাসায়নিকের উপস্থিতি ছিল। সাধারণত এই রাসায়নিকটি ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আটক ফাইয়াজকে শনিবার স্থানীয় আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তদন্ত...

হাসিনার পতনের পর প্রথমবার ভারত থেকে আসছে ট্রেনের কোচ

ছবি
  ট্রেন। ছবি : সংগৃহীত রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচ আসতে যাচ্ছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটাই হবে ভারত থেকে বাংলাদেশে ট্রেনের কোচ সরবরাহের প্রথম চালান। বুধবার (২৪ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী জুলাই মাসেই ২০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের একটি পূর্ণাঙ্গ রেক বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রেলওয়ের রপ্তানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রথম চালানের ২০টি কোচ ইতোমধ্যে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। একই সময়ে হস্তান্তর প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গেছে, ভারত থেকে ৯১৫ কোটি রুপির বিনিময়ে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ কেনার চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। জুলাইয়ে আসতে যাওয়া ২০টি কোচ সেই চুক্তিরই অংশ। বর্তমানে ভারতীয় রেলওয়ের রপ্তানি শাখা ‘রাইটস’ বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ২০০টি ব্রডগেজ কোচ সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটির কাজ চলছে। ২০২৪ সালের মে মাসে আন্তর্জাতিক দরপত্র...