মালদ্বীপে কেভ ডাইভে নেমে ৫ ইতালীয়র মৃত্যু
ভাভু প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
মালদ্বীপে এক স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনায় ৫ ইতালীয়র মৃত্যু হয়েছে বলে রোমের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।
“তারা ৫০ মিটার (১৬৪ ফুট) গভীরে গুহা অন্বেষণের চেষ্টার সময় মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে,” বলেছে তারা।
ভাভু প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।
মালদ্বীপের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা সমুদ্রের ৬০ মিটার নিচে একটি গুহায় একজনের মৃতদেহ পেয়েছে। বাকি চারটি মৃতদেহও সেখানে পাওয়া যেতে পারে।
ওই এলাকায় উদ্ধার অভিযান চালানো ‘বেশ ঝুঁকিপূর্ণ’ জানিয়ে তারা বলেছে, সেখানে বিশেষ সরঞ্জামসহ ডুবুরিদের পাঠানো হয়েছে।
ভারত মহাসাগরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দ্বীপদেশটিতে কোনো ডাইভিং দুর্ঘটনায় সম্ভবত এর চেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়নি, বলছে বিবিসি।
অসংখ্য প্রবাল দ্বীপের কারণে মালদ্বীপ বিশ্বের পর্যটকদের অন্যতম শীর্ষ গন্তব্য।
ইতালির ওই ৫ নাগরিক বৃহস্পতিবার সকালে সমুদ্রে নেমেছিল বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
অনেকক্ষণ পরও তারা ভেসে না ওঠায়, তাদেরকে ডাইভিংয়ে নিয়ে যাওয়া নৌযানটির ক্রু’রা তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর দেন।
রাজধানী মালে-র প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ওই এলাকার আবহাওয়াও সেসময় বিরূপ ছিল এবং যাত্রীবাহী নৌকা ও জেলেদের জন্য ‘হলুদ সতর্কতা’ জারি করা হয়েছিল, বলছে পুলিশ।
জেনোয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরে নিহতদের মধ্যে একজন সামুদ্রিক জীববিদ্যার অধ্যাপক, তার মেয়ে ও দুই তরুণ গবেষক আছে বলে জানিয়েছে।
মালদ্বীপে ডাইভিং ও স্নরকেলিং দুর্ঘটনা বেশ বিরল হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি প্রাণহানির খবর এসেছে।
গত ডিসেম্বরে এল্লাইধু দ্বীপ রিসোর্টের কাছে এক স্কুবা দুর্ঘটনায় অভিজ্ঞ এক ব্রিটিশ নারী ডুবুরি ডুবে যান। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তার স্বামীও ৫ দিন পর মারা যান।
২০২৪ সালে লাভিয়ানি প্রবাল দ্বীপপুঞ্জে স্নরকেলিং করতে গিয়ে মারা যান এক জাপানি আইনপ্রণেতা।

মন্তব্যসমূহ