মেসির রেকর্ড স্পর্শ করার ম্যাচে বিবর্ণ রোনালদো
![]() |
| ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ছবি: রয়টার্স |
দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে ছয় আসরে খেলার দিনে মাঠে নিষ্প্রভ পর্তুগিজ মহাতারকা।
আগের দিন লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সের পর সব চোখ ছিল ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর দিকে। কিন্তু বিশ্বকাপে ছয় আসরে খেলার রেকর্ড স্পর্শ করার দিনে নিদারুণভাবে হতাশ করলেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নিষ্প্রভ ছিলেন রোনালদো। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার এবং সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডধারী এই মহাতারকা যেন ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। পরিসংখ্যানেও এর ছাপ স্পষ্ট।
বিশ্বকাপে নিজের ষষ্ঠ আসরে লক্ষ্যে কোনো শট রাখতে পারেননি রোনালদো। বিশ্ব মঞ্চে এটি তার ২৩তম ম্যাচ, যৌথভাবে যা চতুর্থ সর্বোচ্চ। বিশ্বকাপে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার কোনো ম্যাচে লক্ষ্যে শট রাখতে ব্যর্থ হলেন তিনি।
০
পর্তুগালের হয়ে বড় প্রতিযোগিতায় এ নিয়ে টানা ১০ ম্যাচে গোল করতে পারলেন না রোনালদো। বিশ্বকাপ ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে এই সময়ে ৩৩টি শট নিয়ে ১১টি লক্ষ্যে পেরেছেন তিনি।
৫
বিশ্বকাপে রোনালদোর সবশেষ গোল ২০২২ আসরে, গ্রুপ পর্বে ঘানার বিপক্ষে। এরপর টানা পাঁচ ম্যাচে জালের দেখা পেলেন না তিনি। এই প্রতিযোগিতায় যা তার যৌথভাবে দীর্ঘ খরা। ২০০৬ ও ২০১০ আসর মিলিয়ে একবার পাঁচ ম্যাচে গোল পাননি তিনি।
৬
মাত্র দ্বিতীয় পুরুষ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে ছয় আসরে খেললেন রোনালদো। প্রথম জন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দুই জনেরই অভিষেক হয়েছিল ২০০৬ আসরে।
১৬
প্রথমার্ধে ১৬বার বল স্পর্শ করেন রেনালদো। বিশ্বকাপে এর আগে সবশেষ যে ম্যাচে প্রথমার্ধে ১৬বার বল স্পর্শ করেন তিনি, সেটাতে জার্মানির বিপক্ষে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল পর্তুগাল।
২৫
পুরোটা সময় খেলেও মাত্র ২৫ বার বল স্পর্শ করতে পারেন রোনালদো। বিশ্বকাপে শুরু থেকে খেলার পর যা তার ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। ২০০৬ সালে শেষ ষোলোয় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পর্তুগালের ১-০ গোলে জয়ের ম্যাচে এর চেয়েও কমবার বল স্পর্শ করেন রোনালদো। চার লাল কার্ডের ওই ম্যাচ ‘ব্যাটল অন নুরেমবার্গ’ হিসেবেও পরিচিত
।৪১ বছর ১২৩ দিন
সবচেয়ে বেশি বয়সে আউট ফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ শুরুর করলেন রোনালদো। কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ ড্র ম্যাচে নামার সময় তার বয়স ছিল ৪১ বছর ১২৩ দিন।

মন্তব্যসমূহ