চাঞ্চল্যকর তথ্য, অক্সফোর্ডের কিছু শিক্ষক মানুষের খুলির তৈরি কাপে মদ পান করতেন
🏠|আন্তর্জাতিক | ২৩ এপ্রিল ২০২৫ বুধবার |২:১০:পিএম
👤|স্টাফ করেসপন্ডেন্ট|দৈনিক স্বপ্নের পৃথিবী নিউজ| মাদারীপুর ঢাকা বাংলাদেশ|
যুক্তরাজ্যের বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক দশকের পর দশক মানুষের খুলির তৈরি পানপাত্রে পান করতেন—প্রকাশ হতে যাওয়া একটি বইয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। বইটিতে লুট করা মানব দেহাবশেষ নিয়ে সহিংস ঔপনিবেশিক ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পিট রিভার্স জাদুঘরের বিশ্ব প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কিউরেটর অধ্যাপক ড্যান হিকসের মতে, রূপাখচিত ও স্ট্যান্ডসংবলিত পালিশ করা এ খুলির কাপ ২০১৫ সাল পর্যন্ত অক্সফোর্ডের ওরচেস্টার কলেজের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে নিয়মিত ব্যবহৃত হতো।
অধ্যাপক হিকস তাঁর প্রকাশিত হতে যাওয়া ‘এভরি মনুমেন্ট উইল ফল’ বইয়ে ‘মানব খুলির লজ্জাজনক ইতিহাস’ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, কাপ ছিদ্র হয়ে মদ বেরোতে শুরু করলে তা চকলেট পরিবেশনের জন্যও ব্যবহার করা হতো
অধ্যাপক হিকস তাঁর প্রকাশিত হতে যাওয়া ‘এভরি মনুমেন্ট উইল ফল’ বইয়ে ‘মানব খুলির লজ্জাজনক ইতিহাস’ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, কাপ ছিদ্র হয়ে মদ বেরোতে শুরু করলে তা চকলেট পরিবেশনের জন্যও ব্যবহার করা হতো।
এ প্রত্নতত্ত্ববিদ বলেন, শিক্ষক ও অতিথিদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কমনরুমের আচার-অনুষ্ঠানের ইতি ঘটে। পরে ২০১৯ সালে কর্তৃপক্ষ তাঁকে এই খুলির কাপের উৎপত্তি ও কীভাবে এটি ‘অসুস্থ রুচির পানপাত্র’ হয়ে উঠল সে বিষয়ে তদন্ত করার আমন্ত্রণ জানায়।
হিকস বলেন, ঔপনিবেশিকতার উত্তরাধিকার সম্পর্কিত বিতর্কে সাধারণত এই বিষয়ের ওপর মনোযোগ দেওয়া হয় যে সিসিল রোডস বা এডওয়ার্ড কলস্টনের মতো নামকরা ব্রিটিশ, যাঁরা এ উত্তরাধিকার থেকে লাভবান হয়েছেন, তাঁরা কীভাবে তাঁদের নামাঙ্কিত মূর্তি, বস্তু বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
তবে হিকস দেখাতে চেয়েছেন, ঔপনিবেশিক শাসনের ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের পরিচয় কীভাবে বর্ণবাদী ব্রিটিশ সংস্কৃতি ও শ্বেত আধিপত্যবাদী ধারণার কারণে মাঝেমধ্যেই ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে, সেই বিষয়টি। এটি কখনো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়নি। ঔপনিবেশিক শাসনের ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ ও পরিচয় বিনষ্ট করার চেষ্টা সহিংসতার অংশ ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
![]() |
| দৈনিক স্বপ্নের পৃথিবী নিউজ সম্পাদক ও প্রকাশক: মেহেদী হাসান |


মন্তব্যসমূহ