১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ: আ.লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৫২ নেতা-কর্মী কারাগারে

 

ছবি: ডিএমপি সৌজন্যে


জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। কয়েকটি ব্যানারে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ছবি ছিল বলেও জানায় পুলিশ।

১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। 


পুলিশের দাবি, আসামিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। 


পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক কামাল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. হাফিজুর রহমান। 


ওই আবেদনে বলা হয়, প্রাথ

ওই আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। মামলার তদন্ত এখনো চলমান। আসামিদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে এবং তারা জামিনে মুক্তি পেলে আত্মগোপনে যেতে পারেন। এমন আশঙ্কায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। 


তবে এদিন আসামিদের আদালতের এজলাসে তোলা হয়নি এবং তাদের পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। 


গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লক, রোড-২৮-এর একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়। 


পুলিশের দাবি, আসামিরা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।

অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 


জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। কয়েকটি ব্যানারে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ছবি ছিল বলেও জানায় পুলিশ। 


মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলেন। একই সঙ্গে নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র ও অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগও আনা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বরিশালে ‘হানিট্র্যাপ চক্রের’ তরুণীসহ গ্রেপ্তার ২

প্রতি বছর ৫০০ কোটি কন্ডোম তৈরি করে এই সংস্থা। কিন্তু হরমুজ বন্ধে পর্যাপ্ত কাঁচামালের অভাবে লাটে ওঠ

সোমবার বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী